Life as a Geography Student at Dhaka University: Stories from the Department

Current students at Dhaka University’s Geography department describe coursework, fieldwork, and the day-to-day reality of studying Bangladesh’s geo-sciences.

0
Life as a Geography Student at Dhaka University: Stories from the Department

প্রথম দিন জিওলজিল্যাবে ঢুকে আমার মনে হয়েছিল—আমি হয়তো ভুল করে কোনো ছোট মিউজিয়ামে ঢুকে পড়েছি। বড় বড় টেবিল, পুরনো ম্যাপ, কাঠের ড্রয়ারে রাখা যন্ত্রপাতি, দেয়ালে ঝোলানো faded chart, আর কোণায় দাঁড়িয়ে থাকা কিছু equipment—যেগুলোর বয়স দেখে মনে হচ্ছিল, এগুলো হয়তো আমাদের লেকচারারের চেয়েও পুরনো।

একটা পুরনো stereoscope হাতে নিয়ে আমরা সবাই একটু অবাক, একটু হাসাহাসি করছিলাম। স্যার বললেন, “হাসো না, এই জিনিস দিয়েই অনেক বড় বড় মানুষ geography শিখেছে।” তখন বুঝলাম, এই পুরনো যন্ত্রগুলো শুধু outdated না; এগুলো department-এর memory। somehow, সেগুলোই পুরো ব্যাপারটাকে আরও real করে তুলেছিল। মনে হচ্ছিল, আমরা একটা চলমান tradition-এর অংশ হয়ে যাচ্ছি।

হিরো ইমেজ ক্যাপশন: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জিওলজি বিভাগের করিডোরে দাঁড়িয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী—কারও হাতে ম্যাপ ফোল্ডার, কারও কাঁধে ব্যাগ, পেছনে ল্যাবরুম ও নোটিশ বোর্ডে ভরা ক্যাম্পাস জীবনের ব্যস্ততা।


DU Geography-তে জীবন শুরু হয় একটু confusion দিয়ে। প্রথম দিকে মনে হয়, সবকিছুই আলাদা আলাদা—physical geography, human geography, cartography, climatology, GIS, remote sensing, field survey। কিন্তু ধীরে ধীরে বোঝা যায়, এগুলো আসলে একই গল্পের আলাদা অধ্যায়।

আমার সবচেয়ে memorable অভিজ্ঞতাগুলোর একটি ছিল প্রথম field trip। সকাল সকাল বাসে ওঠা, সবার হাতে ব্যাগ, কেউ field notebook এনেছে, কেউ আনেনি, কেউ পানি নিতে ভুলেছে, কেউ আবার snacks নিয়ে পুরো bus economy চালাচ্ছে। field-এ গিয়ে যখন স্যার বললেন, “দেখো, বইয়ের landscape আর বাস্তব landscape এক না,” তখন কথাটা খুব সাধারণ লেগেছিল। কিন্তু মাটির রং, নদীর বাঁক, বসতির অবস্থান, রাস্তার দিক, মানুষের চলাচল—সব একসঙ্গে দেখতে শুরু করলে বুঝলাম, geography আসলে চোখ খুলে দেয়।

আরেকটা classic DU Geography memory হলো late-night map project deadline। রাত ১টা, টেবিলে স্কেল, pencil, tracing paper, laptop, half-empty tea cup, আর মাথায় একটাই চিন্তা—কাল জমা দিতে হবে। group project হলে তো কথাই নেই। কেউ legend বানাচ্ছে, কেউ north arrow ঠিক করছে, কেউ projection নিয়ে panic করছে, আর কেউ বলছে, “ভাই, final final version কোনটা?”

সেই রাতে irritation থাকে, ঘুম পায়, group member-এর ওপর রাগ হয়, printer কাজ করে না, কিন্তু project জমা দেওয়ার পর যে শান্তি—সেটা আলাদা। মনে হয়, একটা যুদ্ধ শেষ হলো।

Projection নিয়ে আমার ব্যক্তিগত drama ছিল আরও বড়। ক্লাসে প্রথম যখন map projection পড়ানো হলো, মনে হয়েছিল পৃথিবীকে flat করার এই কষ্ট মানুষ কেন নেয়! Mercator, conic, cylindrical—সব মাথার ওপর দিয়ে যাচ্ছিল। কয়েকদিন ধরে বুঝতে না পেরে একদিন ক্লাসে হঠাৎ স্যার globe আর কাগজ দিয়ে দেখালেন কীভাবে curved surface flat map-এ আনতে গেলে distortion হবেই। সেই মুহূর্তে যেন মাথায় light জ্বলে উঠল। আমি মনে মনে বললাম, “আচ্ছা, এই জন্য!”

ভূগোলের অনেক concept এমন—প্রথমে confusing, তারপর হঠাৎ একদিন পরিষ্কার।


DU Geography student হলে জীবনে কোনো না কোনো সময় এই ৫টা জিনিস প্রায় নিশ্চিতভাবে ঘটবেই:

  • পুরনো lab equipment দেখে প্রথমে হাসা, পরে সেটার প্রতি respect তৈরি হওয়া
  • field trip-এ গিয়ে বুঝতে পারা যে notebook ভিজে গেলে data-ও emotional হয়ে যায়
  • map project deadline-এর আগের রাতে নিজের জীবন সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা
  • GIS lab-এ software crash করলে পুরো universe-এর ওপর রাগ হওয়া
  • department corridor-এ দাঁড়িয়ে senior, junior, teacher—সবাইকে somehow পরিচিত মনে হওয়া

আমাদের department-এর একটা classic professor line আছে, যেটা প্রায় সবাই কোনো না কোনো সময়ে শুনেছে:

“ভূগোল মুখস্থ করার বিষয় না, ভূগোল দেখতে শেখার বিষয়।”

এই লাইনটা প্রথমে একটু cliché মনে হতে পারে। কিন্তু যত দিন যায়, তত বোঝা যায়—এটাই আসল কথা। Geography student হিসেবে আপনি শুধু রাজধানী, নদী, পাহাড়, জলবায়ু মুখস্থ করেন না। আপনি শেখেন কেন মানুষ এখানে বসতি করে, কেন নদী ওভাবে বাঁক নেয়, কেন শহর বাড়ে, কেন বন্যা একই জায়গায় বারবার ফিরে আসে, কেন একটা মানচিত্র কখনো পুরো সত্যি বলে না।

তবে সবকিছু সুন্দর, সহজ, perfect—এমন না। DU life মানে administrative delay, crowded classroom, কখনো projector কাজ করছে না, কখনো lab computer slow, কখনো field trip budget নিয়ে tension। অনেক সময় মনে হয়, আমাদের আরও modern equipment দরকার, আরও updated software দরকার, আরও organised schedule দরকার। frustration থাকে, especially যখন আপনি জানেন department-এর potential অনেক বড়।

কিন্তু এই frustration-এর মাঝেও একটা affection তৈরি হয়। কারণ department শুধু building না; এটা মানুষ। batchmate, senior, junior, teacher, lab assistant, field guide—সবাই মিলে একটা ecosystem।

সবচেয়ে সুন্দর community feeling তৈরি হয় shared fieldwork থেকে। প্রথম বর্ষে সবাই আলাদা আলাদা group—কে কোন school থেকে এসেছে, কে কোন hall-এ থাকে, কে কার friend circle। কিন্তু field trip, group survey, map project, viva panic—এসব পার হতে হতে department ছোট হয়ে আসে। senior-রা আর দূরের মানুষ থাকে না, junior-রা নিজের মতো লাগে, teacher-দেরও শুধু lecturer না, mentor মনে হয়।

একসঙ্গে বাসে যাওয়া, field-এ হাঁটা, data ভুল করা, আবার নেওয়া, দুপুরে সবাই মিলে খাবার ভাগ করা—এসব খুব simple memory, কিন্তু এগুলোই bond তৈরি করে। geography-র সবচেয়ে বড় ক্লাসরুম হয়তো department না, মাঠ। আর সবচেয়ে বড় learning হয়তো syllabus না, একসঙ্গে শেখার অভিজ্ঞতা।


আজ যদি Day 1-এর নিজেকে কিছু বলতে পারতাম, বলতাম—সবকিছু একদিনে বুঝতে হবে না। পুরনো equipment দেখে হতাশ হয়ো না; ওগুলোর ভেতরেও গল্প আছে। projection না বুঝলে ভয় পেও না; একদিন বুঝবে। field notebook ভালো করে রাখো। map project শেষ রাতে শুরু করো না—যদিও তুমি করবেই। seniors-দের সঙ্গে কথা বলো। teachers-দের প্রশ্ন করো। আর সবচেয়ে জরুরি—geography-কে শুধু exam subject বানিয়ে ফেলো না।

পরের batch-এর জন্য আমার advice খুব সহজ: department-কে সময় দাও। ল্যাব, field trip, corridor adda, map room, seminar—সব জায়গা থেকে শেখার চেষ্টা করো। DU Geography তোমাকে শুধু degree দেবে না; যদি তুমি মন দিয়ে দেখো, এটা তোমাকে landscape পড়তে শেখাবে, মানুষ বুঝতে শেখাবে, আর নিজের দেশকে নতুন চোখে দেখতে শেখাবে।

Meherun NessaM
WRITTEN BY

Meherun Nessa

BSc Geography student at Jahangirnagar University with a passion for participatory mapping, urban geography, and cultural landscapes. Organises campus geo-awareness workshops and runs a student mapathon series. Believes maps can tell the stories of people, not just places.

Responses (0 )



















Related posts